Hamdard - An Institution of Eastern System of Medicine Dedicated for Health Care, Education and A Movement for the Promotion of Morality, Science and Culture

Type your Search
Head Office Information
Location Rupayan Trade Center, Level: 12-13 114 Kazi Nazrul Islam Avenue Banglamotor, Dhaka-1000
Follow Us
Head Office Information
Location Rupayan Trade Center, Level: 12-13 114 Kazi Nazrul Islam Avenue Banglamotor, Dhaka-1000
Follow Us

Blog Details

Images

এশিয়ার আকাশে বাংলাদেশের দীপ্তি

Date Released
29 April, 2026
Comments
0 Comments

এশিয়ার আকাশে বাংলাদেশের দীপ্তি

এশিয়ার আকাশে যখন উদ্ভাবনের নতুন ভোর জাগে, তখন তার আলো শুধু কাঁচের অট্টালিকায় থেমে থাকে না; তা পৌঁছে যায় প্রত্যন্ত গ্রামের মাটির উঠোনে, শহরের হাসপাতালের করিডরে, রোগশয্যায় শুয়ে থাকা মানুষের প্রার্থনায়, আর সেইসব কর্মীর ক্লান্ত হাতে যারা প্রতিদিন জীবনরক্ষার নীরব যুদ্ধ লড়ে। স্বাস্থ্যসেবা শিল্পের প্রতিটি সাফল্য আসলে একটি মানবিক গল্প; প্রতিটি পুরস্কার একটি অশ্রুসিক্ত জয়ের নাম। আর সেই জয়ের মঞ্চে যখন বাংলাদেশের নাম উচ্চারিত হয়, তখন তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সম্মান নয় তা একটি জাতির স্বপ্নের উচ্চারণ।

২০২৬ সালের হেলথকেয়ার এশিয়া ফার্মা অ্যাওয়ার্ড ছিল এমনই এক দীপ্ত সন্ধ্যা, যেখানে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সেরা ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের উদ্ভাবন, সামাজিক দায়বদ্ধতা, রোগীকেন্দ্রিক উদ্যোগ, গবেষণা, টেকসই পরিকল্পনা এবং মানবিক অবদানের জন্য সম্মানিত হয়েছে। সিঙ্গাপুরের আলোকোজ্জ্বল সেই মঞ্চে বহু দেশের প্রতিষ্ঠানের পাশে যখন বাংলাদেশের হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশ বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন করে, তখন মনে হয়েছিল পদ্মা, মেঘনা, যমুনার দেশও পারে; এই মাটির সন্তানরাও পারে বিশ্বমঞ্চে মাথা তুলে দাঁড়াতে।

এটি কেবল একটি ট্রফি জয় নয়। এটি ছিল বহু বছরের নিষ্ঠা, সততা, গবেষণা, জনকল্যাণ এবং বিশ্বাসের স্বীকৃতি। হামদর্দ নামটি এই বাংলার মানুষের কাছে কেবল একটি ওষুধ কোম্পানির নাম নয়; এটি আস্থা, ঐতিহ্য, সেবার সংস্কৃতি এবং মানবিকতার আরেক নাম। যে প্রতিষ্ঠানের জন্মলগ্নেই ছিল মানুষকে সুস্থ করার স্বপ্ন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার সেই প্রতিষ্ঠান আজ আন্তর্জাতিক মঞ্চে সম্মানিত হওয়া যেন ইতিহাসেরই স্বাভাবিক পরিণতি।

যে পুরস্কারগুলোর বিভাগে ছিল সেরা সামাজিক উদ্যোগ, সেরা রোগী অধিকার কর্মসূচি, সেরা ডিজিটাল উদ্ভাবন, সেরা স্বাস্থ্য ও সুস্থতা উদ্যোগ, সেরা গবেষণা ও উন্নয়ন, সেরা বিপণন ও যোগাযোগ উদ্যোগ, সেরা টেকসই পরিকল্পনা সেসব প্রতিটি বিভাগই আসলে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার বিবেককে প্রতিনিধিত্ব করে। কারণ আজকের পৃথিবীতে শুধু ওষুধ তৈরি করাই যথেষ্ট নয়; মানুষকে বুঝতে হয়, রোগীর মর্যাদা রক্ষা করতে হয়, পরিবেশকে বাঁচাতে হয়, প্রযুক্তিকে মানবকল্যাণে ব্যবহার করতে হয়, আর ব্যবসাকে মানবিকতার সাথে মিলিয়ে নিতে হয়।

এই কারণেই হামদর্দের অর্জন আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তারা প্রমাণ করেছে ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হয়েও আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা যায়। ইউনানী ও হারবাল ঐতিহ্যকে ধারণ করেও বৈজ্ঞানিক মান, আধুনিক উৎপাদনব্যবস্থা, বাজার সম্প্রসারণ, সামাজিক সেবা ও গবেষণার সমন্বয় ঘটানো যায়।

এই প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অগ্রযাত্রায় যাঁর দূরদৃষ্টি, কর্মপ্রেরণা ও মানবিক নেতৃত্ব গভীরভাবে আলো ছড়িয়েছে, তিনি হলেন চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া। তাঁর নাম উচ্চারণ মানে কেবল একজন প্রশাসকের নাম বলা নয়; বরং এক দায়িত্ববান অভিভাবকের কথা বলা, যিনি প্রতিষ্ঠানকে শুধু পরিচালনা করেন না লালন করেন, রক্ষা করেন, এগিয়ে নেন।

একজন নেতা কেমন হন? তিনি কি শুধু নির্দেশ দেন? শুধু হিসাব দেখেন? শুধু লাভ-লোকসানের খাতা মিলান? না প্রকৃত নেতা সেই, যিনি প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি মানুষকে নিজের পরিবারের সদস্য মনে করেন। যিনি কর্মীর ঘামকে সম্মান করেন, গবেষকের শ্রমকে মূল্য দেন, মাঠকর্মীর সংগ্রামকে বোঝেন, এবং রোগীর প্রার্থনাকে অগ্রাধিকার দেন। ড. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া ঠিক তেমনই এক নেতৃত্বের নাম।

তাঁর নেতৃত্বে হামদর্দ শুধু উৎপাদন বাড়ায়নি; মর্যাদা বাড়িয়েছে। শুধু বাজার বাড়ায়নি; আস্থা বাড়িয়েছে। শুধু ভবন নির্মাণ করেনি; মানুষের হৃদয়ে স্থান নির্মাণ করেছে। আধুনিকায়ন, মান নিয়ন্ত্রণ, আন্তর্জাতিক মানদ-, সামাজিক সেবা, গবেষণা বিস্তার, কর্মীবান্ধব পরিবেশ সবখানেই তাঁর সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনার ছাপ বিদ্যমান।

আজকের পৃথিবীতে ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প কেবল ওষুধ তৈরি করে না; এটি মানুষের জীবনরেখা রচনা করে। একটি ট্যাবলেট মানে হয়তো এক মায়ের জ্বর কমে যাওয়া। একটি সিরাপ মানে শিশুর হাসি ফিরে আসা। একটি টনিক মানে দুর্বল বৃদ্ধের শক্তি ফিরে পাওয়া। একটি হারবাল ওষুধ মানে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন স্বস্তি। সুতরাং এই শিল্পে কাজ করা মানে মানবতার সেবা করা। হামদর্দ সেই সেবাকে নীতিতে রূপ দিয়েছে। আর এই নীতিকে শক্ত হাতে ধারণ করেছেন ড. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া। তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা যেমন দৃঢ়, তেমনি মানবিক হৃদয়। তিনি জানেন একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার যন্ত্রে নয়, তার মানুষে। তাই কর্মী সম্পৃক্ততা, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রেরণা সৃষ্টি ও সুস্থ কর্মপরিবেশ তৈরিতে তাঁর ভূমিকা প্রশংসনীয়।

পাশাপাশি এই সাফল্যের পেছনে যাঁর দূরদৃষ্টি, শ্রম ও নেতৃত্ব আছে, তাঁর কথা না বললে অন্যায় হবে। মার্কেটিং এন্ড সেলস এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন-এর নেতৃত্বে যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে, তা নিছক প্রশাসনিক অর্জন নয়; এটি ছিল নারীর নেতৃত্ব, দক্ষতা ও দূরদর্শিতার এক অনন্য উদাহরণ। যেখানে অনেকে সীমাবদ্ধতা দেখেন, সেখানে তিনি সম্ভাবনা দেখেছেন। যেখানে অনেকে বাজার দেখেন, সেখানে তিনি মানুষ দেখেছেন। যেখানে অনেকে শুধু পণ্য দেখেন, সেখানে তিনি দেখেছেন একটি ব্র‍্যান্ডের সামাজিক আত্মা।

হামদর্দের সাফল্য সেই কারণেই জাতীয় গর্ব। কারণ তারা ব্যবসাকে সেবায় রূপ দিয়েছে। তারা লাভকে মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেছে। তারা প্রতিষ্ঠানকে ওয়াকফের আদর্শে পরিচালিত করে দেখিয়েছে নৈতিকতা ও সাফল্য পাশাপাশি চলতে পারে।

যখন এশিয়ার বিভিন্ন দেশের Menarini, Takeda, Viatris-এর মতো বহুজাতিক শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান পুরস্কার পায়, তখন তাদের পাশে বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়ে সম্মান অর্জন করা নিছক ঘটনা নয় এটি সক্ষমতার ঘোষণা। এটি বিশ্বকে বলা আমরাও পারি, আমরা পিছিয়ে নেই, আমরা প্রস্তুত।

Menarini থাইল্যান্ডে বিপণন, চীনে হাসপাতাল অংশীদারিত্ব, ভিয়েতনামে ডিজিটাল উদ্ভাবনের জন্য সম্মানিত হয়েছে। Takeda ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামে অসামান্য উদ্যোগ দেখিয়েছে। Viatris জনস্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। এই সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একই আসরে বাংলাদেশের নাম উচ্চারিত হওয়া মানে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে উত্তীর্ণ হওয়া।

একটি দেশের ব্র‍্যান্ড ইমেজ গড়ে ওঠে তার সংস্কৃতি, অর্থনীতি, কূটনীতি, প্রযুক্তি এবং শিল্পের মাধ্যমে। আজ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক বিশ্বজয় করেছে, কৃষি এগিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি এগোচ্ছে এবার স্বাস্থ্যসেবা ও ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পও বিশ্বদরবারে নতুন পরিচয় নির্মাণ করছে। হামদর্দের এই অর্জন সেই ধারারই দীপ্ত অধ্যায়।

পুরস্কার মানে শুধু হাসিমুখে ছবি তোলা নয়। এর পেছনে থাকে অসংখ্য রাতজাগা শ্রম। গবেষণাগারে বিজ্ঞানীর নীরব পরীক্ষা। উৎপাদন লাইনে কর্মীর সতর্কতা। মার্কেটিং টিমের মাঠপর্যায়ের সংগ্রাম। ডেলিভারি কর্মীর সময়মতো পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার। প্রশাসকের পরিকল্পনা। ব্যবস্থাপকের জবাবদিহি। আর সর্বোপরি, নেতৃত্বের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা।

একটি ওষুধ কারখানার ভেতরে আপনি যদি কখনো দাঁড়ান, দেখবেন সেখানে শুধু যন্ত্র চলে না, চলে দায়িত্ব। প্রতিটি ক্যাপসুলে থাকে মান নিয়ন্ত্রণের সীলমোহর। প্রতিটি বোতলে থাকে মানুষের বিশ্বাস। প্রতিটি প্যাকেটে থাকে আশার শব্দ।

হামদর্দ এই বিশ্বাসের নাম বহুদিন ধরে। ঘরে ঘরে পরিচিত নাম। গরমে স্বস্তির পানীয় থেকে শুরু করে নানা স্বাস্থ্যপণ্য তারা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে এই স্বীকৃতি বলে দিল লোকপ্রিয়তা আর আন্তর্জাতিক মান একসাথে অর্জন করা সম্ভব।

এই অর্জন তরুণ প্রজন্মকেও নতুন স্বপ্ন দেখায়। যারা ফার্মেসি পড়ছে, কেমিস্ট্রি পড়ছে, বায়োটেকনোলজি পড়ছে, মার্কেটিং পড়ছে তারা আজ বলতে পারে, “আমরাও একদিন বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে কাজ করব, নতুন ওষুধ উদ্ভাবন করব, মানুষের জীবন বদলে দেব।”

একটি পুরস্কার কখনো কেবল অতীতের স্বীকৃতি নয়; এটি ভবিষ্যতের আমন্ত্রণ। এখন প্রশ্ন এরপর কী? এরপর আরও গবেষণা, আরও রপ্তানি, আরও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, আরও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, আরও জনকল্যাণ। বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প যদি গুণগত মান, নৈতিকতা ও উদ্ভাবন ধরে রাখতে পারে, তবে দক্ষিণ এশিয়ার নেতৃত্ব নেওয়া অসম্ভব নয়।

আজ বিশ্বে স্বাস্থ্যসেবার চ্যালেঞ্জ অনেক নতুন রোগ, মানসিক চাপ, বৃদ্ধ জনগোষ্ঠী, পরিবেশ দূষণ, ওষুধের ব্যয়, প্রযুক্তির বৈষম্য। এসব মোকাবিলায় দরকার এমন প্রতিষ্ঠান, যারা শুধু বিক্রি করবে না সমাধান দেবে। হামদর্দের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো সেই সম্ভাবনার বাহক।

বাংলাদেশের মানুষ আবেগপ্রবণ জাতি। আমরা যখন দেখি বিদেশের মাটিতে আমাদের পতাকার মান বাড়ছে, তখন বুক ভরে ওঠে। কারণ প্রতিটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। বলে তুমি পারবে। তুমি ছোট নও। তুমি পিছিয়ে নও। তোমারও আলো আছে।

সিঙ্গাপুরের সেই মঞ্চে হয়তো করতালির শব্দ ছিল কিছু মিনিটের। কিন্তু তার প্রতিধ্বনি বাংলাদেশের অসংখ্য হৃদয়ে দীর্ঘদিন বাজবে। কোনো তরুণ কর্মী অফিসে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করবে। কোনো ছাত্র আরও মন দিয়ে পড়বে। কোনো উদ্যোক্তা ভাববে আমিও পারি। কোনো নারী নেতৃত্বে আসার সাহস পাবে। এই কারণেই এমন পুরস্কারের গুরুত্ব অনেক গভীর। এটি অর্থনৈতিক, সামাজিক, মানসিক সব দিক থেকেই জাতিকে এগিয়ে দেয়।

আমরা চাই, আগামী বছরগুলোতে শুধু একটি নয়, আরও বহু বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান এই মঞ্চে উঠুক। হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক, মেডিকেল টেকনোলজি, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য উদ্যোগ সবখানে বাংলাদেশ এগিয়ে যাক।

হামদর্দের অর্জন আমাদের শেখায় যে প্রতিষ্ঠান মানুষের জন্য কাজ করে, তাকে বিশ্বও একদিন সম্মান দেয়। যে ব্র‍্যান্ড আস্থা গড়ে, তাকে সীমান্ত আটকে রাখতে পারে না। যে নেতৃত্ব স্বপ্ন দেখে, তাকে সময় থামাতে পারে না।

আজ তাই এই অর্জনকে আমরা কেবল সংবাদ হিসেবে পড়ব না; এটিকে প্রেরণা হিসেবে ধারণ করব। প্রতিটি অফিসে, প্রতিটি কারখানায়, প্রতিটি ল্যাবে, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে এই বার্তা পৌঁছাক: নিষ্ঠা বৃথা যায় না। সততা হারায় না। পরিশ্রম নীরব থাকলেও ইতিহাস তা শুনে।

হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশকে অভিনন্দন। অভিনন্দন তাঁদের প্রতিটি কর্মীকে, প্রতিটি গবেষককে, প্রতিটি প্রতিনিধি, কর্মকর্তা, শ্রমিক, পরিকল্পনাবিদ ও শুভানুধ্যায়ীকে।

আপনারা শুধু পুরস্কার জেতেননি আপনারা লক্ষ মানুষের হৃদয়ে আশা জিতেছেন। যে দেশে এমন প্রতিষ্ঠান আছে, সে দেশকে কেউ থামাতে পারে না। যে মাটিতে সেবা এখনো সম্মানের নাম, সে মাটি অনুর্বর হয় না। যে জাতি স্বপ্ন দেখে, তার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবেই।

Image
Image
  • আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ‘হেলথকেয়ার এশিয়া ফার্মা অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াকফ) বিশেষ সম্মাননা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
  • মানবিক নেতৃত্ব: চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়ার দূরদর্শী ও মানবিক নেতৃত্বে হামদর্দ আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা, বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড এবং জনকল্যাণের সমন্বয় ঘটিয়ে বিশ্বমঞ্চে স্থান করে নিয়েছে।
  • নারীর নেতৃত্ব ও উন্নয়ন: মার্কেটিং, সেলস এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুনের দক্ষ নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি বিপণন ও কৌশলগত উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
  • ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন: হামদর্দ প্রমাণ করেছে ইউনানী ও হারবাল ঐতিহ্যের সাথে আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সমন্বয় ঘটিয়ে সফল হওয়া সম্ভব।
  • জাতীয় গৌরব: মেনারিনি (Menarini), তাকেদা (Takeda) এবং ভায়াট্রিস (Viatris)-এর মতো শক্তিশালী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের পাশে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করার মাধ্যমে এটি দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের সক্ষমতা বিশ্বদরবারে প্রমাণ করেছে।

বাংলাদেশ আজ গর্বিত। বাংলাদেশ আজ কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশ আজ নতুন করে বিশ্বাস করছে আমাদেরও আলো আছে, এবং সেই আলো এখন এশিয়ার আকাশে দীপ্তোজ্জ্বল।

  • Share: